তোমার স্তিমিত হাতে
ধ্বনি ও স্বরূপ দুই ক্রীড়াশীল
অল্প অল্প ভাপ ওড়ে
আলগা হয়ে যায় বিকেল
আঘাতের কথা মনে পড়ে
সারল্যের কথা
পূর্ণতা কী ভাবে অব্যবহৃত হয়ে থেকে যায়
তার কথা, স্তিমিত হাতের কথা
অল্প অল্প ভাপ ওড়ে
--
সময় নয় ঘড়িটিই একটা ধারণা
আর ধারণা মাত্রেই যে অপারগ
ধার নেই, ভার নেই
ধারণ করতে পারে না বহন করতে পারে না
এটা বুঝতে এতদিন ঘড়ি পরে বেড়ালাম
মিথ্যে মিথ্যি কব্জিতে রোদ পড়ল না বহুকাল
--
হাতের কাছেই আছে সব কিছু
স্পর্শটুকু ছাড়া
এমনকী ভুল করে ভুলে যাওয়া
ঠিক করে নেওয়ার মত অঙ্ক
আর কত লোক হাত নেড়ে চলে গেল
চিনে না চিনে
সবাইকে বলি-- ভালো থাক তোমাদের হাত
হাতে লেখা মতামতগুলো
ভালো থাক হাতে হাতে অতঃপররাজি
--
টেবিলে তরঙ্গ ছিল
খানিকটা পড়ে আছে আঁচ
অবারিত আর্বান হাতে কাঁপা-কাঁপা গ্রামীণ কবিতা
আমিও লিখেছি
টেবিলে তরঙ্গ ছিল
তাহাতে পড়িয়াছিল কৃষ্ণচূড়ার ছায়া
শহুরে ও ফিকে কৃষ্ণকায়
হাতের ছায়ার পাশে অর্থহীন অথচ
মানানসই
--
শুশ্রূষা কাহার হাতে – এমত প্রশ্নের উঠানে ঝাড়ু পড়ে – পাতাগুলি ওড়ে শুদ্ধশীল । প্রতিশ্রুতিময় সেই সব পাতা, চোখের, হাতের, কবিতার খাতার, অজস্র যাতনার পাতা । আঘাতের মতই সরল ও বিবেচনাহীন ।
--
দূরের কাঠামোগুলি আলোকিত ছিল, ফলে দূর, দূরতর ছিল । ভারসাম্য ছিল—দৃশ্য যেমনই হোক, দৃষ্টিতে যে ভারসাম্য থাকে... এইসব আমাদের ঋণী থাকার গল্প, অনুভূত হয়ে ওঠার প্ররোচনা ও পদ্ধতিময় ...রাত বাড়ছিল, আলো বাড়ছিল, ছায়া বাড়ছিল—দূরগুলি দূরতর ছিল । অল্প অল্প ভাপ উড়ছিল ম্যুরাল কারখানায় ।
কেন এই পাতা
পানুর ইচ্ছা, লেখক হইবেন । বাঙালি, লেখক না হইতে পারিলে নমো নমো করিয়া পাতের সংস্থান যদি বা হয় জাত রক্ষা হয় না - যথা আঁটকুড়া কুলীন । পানু বিস্তর পরিশ্রম করিলেন । দিস্তা দিস্তা রচনাবলী, অমনিবাস চিবাইলেন । প্রথমে কাব্য টানিয়াছিল, কারণ রস - রসে পাঁউরুটি ভিজিল না । পানু ঘটা করিয়া কিছুদিন রবীন্দ্রসঙ্গীত লিখিলেন (ভেঙ্গেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতিরম্যায়, আট হাজার বাষট্টি টাকার দরজা, খর্চা কে দ্যায় ! অথবা, কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া, চৌমাথার মোড়ে দিব পেন্টুল খুলিয়া) হাউ হাউ করিয়া লোকে মারিতে আসিল । সমস্ত অবজ্ঞা করিয়া পানু লিখিয়া চলিলেন । যদ্যপি পানুর কলমের তোড়ে কাব্যলক্ষী কোঁ কোঁ, সম্পাদকের দপ্তরে চিঁড়া ভিজিল না । অতঃপর পানুর দুঃখে ব্যাবেজ সায়েব কম্পিউটার আবিষ্কার করিলেন । বাজারে ব্লগ আসিল । পানু ব্লগার হইলেন । এই পাতা পানুর পাতা । যা তা ।
Thursday, January 5, 2012
Wednesday, January 4, 2012
আবার লেখা
History repeats itself
I am history
I have every right to repeat myself
--
স্মৃতিও কমলা হল
সমস্ত দোটানা যেভাবে কমলা হয়ে যায়
ভালো লাগে কর্মসূত্রে
নিজের থেকে দূরে থাকা
পিঁপড়ের ঢিবির পাশে উবু হয়ে
নিজেকেও মনে রাখা,
ছুটকো প্রশ্রয়, সিগারেট দু’একটা
কিছুটা তো সঙ্গত হওয়া যায়
কিছুটাকে সঙ্গত করে তোলা
হৃদ্যতার কাছে বসে থাকো
ভালো লাগে তোমার অস্পষ্টতা
তুলনাপ্রবণ ঘাসে রোদ পড়ে
একই রোদ গ্রীলেও আছড়ায়
স্মৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে সক্ষমতা বাড়ে
আর সব কিছু কমলা হয়ে যায় ।
I am history
I have every right to repeat myself
--
স্মৃতিও কমলা হল
সমস্ত দোটানা যেভাবে কমলা হয়ে যায়
ভালো লাগে কর্মসূত্রে
নিজের থেকে দূরে থাকা
পিঁপড়ের ঢিবির পাশে উবু হয়ে
নিজেকেও মনে রাখা,
ছুটকো প্রশ্রয়, সিগারেট দু’একটা
কিছুটা তো সঙ্গত হওয়া যায়
কিছুটাকে সঙ্গত করে তোলা
হৃদ্যতার কাছে বসে থাকো
ভালো লাগে তোমার অস্পষ্টতা
তুলনাপ্রবণ ঘাসে রোদ পড়ে
একই রোদ গ্রীলেও আছড়ায়
স্মৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে সক্ষমতা বাড়ে
আর সব কিছু কমলা হয়ে যায় ।
Monday, January 2, 2012
লেখা
ঘষা কাচ—প্রথা
প্রথার ওপারে ফাঁকা ও প্রশস্ত নতজানু
লাট খায় রূপের রিবন
চরিত্র এখানে থাকে না
সাবলীল বাসাগুলো বাড়ি হয়ে গেছে
কবেই
আটপৌরে বিস্ময় ঝুলে
থাকে ব্যালকনি কাঁপানো তারে
ঠাপ ওঠে ঠাপ পড়ে
জলে ও ভঙ্গুরে
যত দূরে যাও বৃত্তাকার অল্পখানিক ঢেউ
শেষতক কেন্দ্রেই ফেরে (পিরিয়ড) শেষ হয়ে যায়
সাঁঝের বিষয় ফিরিল কুলায়
লেখা ফিরিল না ঘরে
গান হয় এইসব গান হয় কিছুটা সুরেলা
শ্বাস । আঘাত । ফাঁকা ও প্রশস্ত
জলে । ভঙ্গুরে
বাকীটা সংকেত
সংকেত যে একটা ডিকশান – এ তোমাকে বিদ্যালয় শেখাবে না । হাম্পু করে দেবে । সোজা সোজা বল । ফিকশানি গান গাও – রাজার কুমার পঙ্খীরাজে । আকাশ থেকে পঙ্খীরাজ লেদে দিলে কি হবে জানতে যেও না – যতদূরসম্ভব ত্রস্ত বাংলায় ফাঁকা ও প্রশস্ত মনোনিবেশের কথা বল । ডুবন্ত মানুষ’কে বল—জলই জীবন । জলে চাঁদ পড়ে – চাঁদের শৌচকর্মাদি, চাঁদের সাবান কই ? না-কি দেহ ভাসে,
কার দেহ ?
তার দেহ –আটারলি মরণোত্তর ।
(সোজাসুজি বলতে গেলে-- যে শালা ডুবে মরে, সেই শালা মরে ভাসে)
--
আলো ক্রমে আসিতেছে ..................
নিভে
নিভাননী জাম বাটি হাতে খই দুধ খায়
বেপাড়ার মেঘ এসে র্যা লা মেরে যায়
কালিদাসে নেই সেই সব থান্ডার মেঘ
কেঁদো কেঁদো মেঘ
শীতের ডগায়
শিমুল নিভিয়াছিল প্রাক্কালে
এখন সে পাতায় পল্লব
শীত কালে এ মাহ ভাদর
ভরা ভরা ঘড়া ঘড়া
এভাবেই আলগা মলাটে ধরা পড়ে যাবে ! এতটাই ঈশ্বরামি ! ওহো গায়ে লাগে । গায়ে লাগে এইসব প্রজন্মরহিত সমাধান । জন্ম এসে জড়ো হয় হাতে, প্রান্ত এসে জড়ো হয় হাতে – জড় ফুলে নিকেশের আলো – বোঝা যাবে কি ভাবে নষ্ট হয়েছি ? কিভাবে প্রভুরা নষ্ট হয়ে যায় ? নষ্ট মানুষ আর নষ্টামি -- কোন পাহাড়ে, সৈকতে তারা হামা টানে ? এরপর অপলক হয়ে ওঠো তুমি, প্রগলভ হয়ে ওঠে কথা । ঘুম পায় বেধড়ক । ঘুমাতে পারি না ।
ক্লান্তি আমার ক্ষমা কর প্রভু
লিখতে পারি না, গায়ে জল থেমে গেছে আটকে রয়েছে পোস্টারের মত তার হুলিয়া দৌড়চ্ছে ডেকে আনছে ক্রমান্ধ গান রাত্রি বরাবর কত লেখা থাকে কত সুর থাকে বোবা বালকের ম্যান্ডোলিন গাধার ক্ষুরের চাট সামলে উঠতে চাইছি অথচ পারছিনা হে নান্দনিক হে গলিত স্থিরতা বোধ জন্ম বহুবার উদ্ধৃত নুন ও শরীর । বাতায়নসারি্র সামনে একা তাল গাছ ।
ওহো ক্লান্তি আমার ।
ওহো ক্ষমা তোমার ।
এসো, তোমাকে মতান্তর করে সঞ্চয় করি ।
প্রথার ওপারে ফাঁকা ও প্রশস্ত নতজানু
লাট খায় রূপের রিবন
চরিত্র এখানে থাকে না
সাবলীল বাসাগুলো বাড়ি হয়ে গেছে
কবেই
আটপৌরে বিস্ময় ঝুলে
থাকে ব্যালকনি কাঁপানো তারে
ঠাপ ওঠে ঠাপ পড়ে
জলে ও ভঙ্গুরে
যত দূরে যাও বৃত্তাকার অল্পখানিক ঢেউ
শেষতক কেন্দ্রেই ফেরে (পিরিয়ড) শেষ হয়ে যায়
সাঁঝের বিষয় ফিরিল কুলায়
লেখা ফিরিল না ঘরে
গান হয় এইসব গান হয় কিছুটা সুরেলা
শ্বাস । আঘাত । ফাঁকা ও প্রশস্ত
জলে । ভঙ্গুরে
বাকীটা সংকেত
সংকেত যে একটা ডিকশান – এ তোমাকে বিদ্যালয় শেখাবে না । হাম্পু করে দেবে । সোজা সোজা বল । ফিকশানি গান গাও – রাজার কুমার পঙ্খীরাজে । আকাশ থেকে পঙ্খীরাজ লেদে দিলে কি হবে জানতে যেও না – যতদূরসম্ভব ত্রস্ত বাংলায় ফাঁকা ও প্রশস্ত মনোনিবেশের কথা বল । ডুবন্ত মানুষ’কে বল—জলই জীবন । জলে চাঁদ পড়ে – চাঁদের শৌচকর্মাদি, চাঁদের সাবান কই ? না-কি দেহ ভাসে,
কার দেহ ?
তার দেহ –আটারলি মরণোত্তর ।
(সোজাসুজি বলতে গেলে-- যে শালা ডুবে মরে, সেই শালা মরে ভাসে)
--
আলো ক্রমে আসিতেছে ..................
নিভে
নিভাননী জাম বাটি হাতে খই দুধ খায়
বেপাড়ার মেঘ এসে র্যা লা মেরে যায়
কালিদাসে নেই সেই সব থান্ডার মেঘ
কেঁদো কেঁদো মেঘ
শীতের ডগায়
শিমুল নিভিয়াছিল প্রাক্কালে
এখন সে পাতায় পল্লব
শীত কালে এ মাহ ভাদর
ভরা ভরা ঘড়া ঘড়া
এভাবেই আলগা মলাটে ধরা পড়ে যাবে ! এতটাই ঈশ্বরামি ! ওহো গায়ে লাগে । গায়ে লাগে এইসব প্রজন্মরহিত সমাধান । জন্ম এসে জড়ো হয় হাতে, প্রান্ত এসে জড়ো হয় হাতে – জড় ফুলে নিকেশের আলো – বোঝা যাবে কি ভাবে নষ্ট হয়েছি ? কিভাবে প্রভুরা নষ্ট হয়ে যায় ? নষ্ট মানুষ আর নষ্টামি -- কোন পাহাড়ে, সৈকতে তারা হামা টানে ? এরপর অপলক হয়ে ওঠো তুমি, প্রগলভ হয়ে ওঠে কথা । ঘুম পায় বেধড়ক । ঘুমাতে পারি না ।
ক্লান্তি আমার ক্ষমা কর প্রভু
লিখতে পারি না, গায়ে জল থেমে গেছে আটকে রয়েছে পোস্টারের মত তার হুলিয়া দৌড়চ্ছে ডেকে আনছে ক্রমান্ধ গান রাত্রি বরাবর কত লেখা থাকে কত সুর থাকে বোবা বালকের ম্যান্ডোলিন গাধার ক্ষুরের চাট সামলে উঠতে চাইছি অথচ পারছিনা হে নান্দনিক হে গলিত স্থিরতা বোধ জন্ম বহুবার উদ্ধৃত নুন ও শরীর । বাতায়নসারি্র সামনে একা তাল গাছ ।
ওহো ক্লান্তি আমার ।
ওহো ক্ষমা তোমার ।
এসো, তোমাকে মতান্তর করে সঞ্চয় করি ।
Sunday, November 20, 2011
রেখো মা দাশে’রে মনে
সান্যালেও কিছু মনে রেখো
ঠাসবুনোটের দেশে ঘোড়ারুগী
আলগাচরিত এক ফেঁসো
।।.....................।।
সর্বনাম ব্যবহারে উদ্দেশ আসে, উদ্দিষ্টের সাথে কথা । বারতা । আর ডায়ালগ কবিতার পরিপন্থী – এই ধরণের কথা হয়, হয়েছিল একদা আশিতে । বারোটা বাজে আর আমি তুই বলি, তুমি বলি, ব্যবহার করব না করব না করেও আপনিতে পৌঁছে একটু হাঁপিয়ে জল খাই, ইতস্তত করি, প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাল্কা চুলকে নিই ক্রিয়াপদে ঘুঙ্গুর বাজে । বন্ধুরা অনেকে সোজা কবিতা লেখার কথা বলেছিল – সৌমেন, রেণুপদ – আমি কঠিন কবিতা কাকে বলে বুঝি না ওরা সেটা সোজা করে বোঝাতে পারেনি—বেশি নয়, ৩-৪ বছরে টোটাল ঘন্টা দশেক এইসব নিয়ে কথা হয়েছে , এরি মাঝে সিমলিপালে বরফ পড়লো, জাপানে ভূমিকম্প আর নবাবগঞ্জে সেলিম আলির মূর্তি হল – পাখিরা মূর্তি নিয়ে যে কোন বাছবিচার করবে না সেটা জানলেও আশা ছিল, হাজার হোক পক্ষীবিদ তো —
পাখি বলতেই মনে পড়ল—ভাবপ্রবণতা, রবিন রঙের অস্বীকার
অ্যান্ড ডিনায়াল লিডস টু ডিপ্রেশান
অবসাদ
অবসাদ একটি জাঢ্য
অবস্থা
আর গতিহীন কোন কিছুই
প্রতারিত হতে জানে না
এমন কী তা স্বাস্থ্যকর হলেও
হাল্কা হেমন্ত নামে
শীতলতাকে চামড়া পরাতে পরাতে
ভাবি
বাতাসে যে আবেশ থাকবে এ’কথা কেউ কেন জানায়নি
আবেশ যে বাতাস মাত্র এ যদিও জানা ছিল
হাওয়ার আঙ্গিক নিয়ে মাথাব্যথাই
আমাদের খোঁড়া করে তুলল
তার পর অবয়ব তৈরী হয়
অবসাদের
আর অবসাদ এমন অবস্থাপন্ন
জাঢ্যের কারণে
প্রভাবিত হতে ভুলে যায়
ভয় পেতে ভুলে যায় ।
টনটন ফসলে ঢেকে যায় নৌকো
ডুবে যায় আত্মনিগ্রহে
-----------------
এস হে
--------------------
এস হে
লাবণ্য চেনানো পেরেক
ঘাস ফুলের মত ব্রেক
যে দৃশ্য আমাকে দেখেনি
তার ছায়া ঝুলে আছে
পেড়ে নাও
ছবি করে নাও
ভৌত উটের পাশে
কাঠচাঁপা গাছখানি নিভৃতি পাক
--
এই গান, মহাসিন্ধুর ওপার থেকে, এই সব ইন্দ্রানুগত ভেসে আসে ধরা ও ধরণী, ত্বরা ও তরণী, প্রাক মার্কনী –র্যাঁবো, রবি, বারীন – মাতাল সোনা হাশিস । নেশা যখন ইন্দ্রিয় পেরিয়ে যায় – বরিশাল থেকে আমিনাবাদ অব্দি হলুদ জলে ওঠে প্রবাহ – যে হলুদ নির্বানের নয়, গর্ভাবস্থা নয়, সুবর্ণাভ গতিচিহ্ন নয় – এক ফেলে আসা ডিকশানের ঘোর ও তার ব্রীড়া ... স্পষ্টত ... ট্রামলাইন আমাদের সাবালক হতে দিল না-- সমস্ত এসো হে, সমস্ত চিল বরাবর ।
--
অতিক্রম একটি অভ্যাস মাত্র – এই ভাবে ভাবতে পারলে সোজা হয়ে আসে দিনকাল । না বুঝেই নিজেকে পেরিয়ে গিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায় – কী ভাবে ঈষৎ ঝুঁকে এগিয়ে আসছি, থেমে অগ্রাহ্য করছি, খিস্তি করছি, ভুলে যেতে চাইছি অতিক্রান্ত রাস্তা ... অধিকন্তু ... সময় পেরিয়ে যাচ্ছে ... আর একটি বৈশাখের জন্য দাবদাহের জন্য গলে যাচ্ছে বিচি ... আহবানকারী গান হয়ে উঠছে ... জন্মাতে ভুলে যাচ্ছি, মরতে ভুলে যাচ্ছি ... গাঢ় মৃন্ময় হয়ে যাচ্ছি ... বৃষ্টি ফিরে যাচ্ছে ... না ভিজিয়ে, না ভিজে ।
সান্যালেও কিছু মনে রেখো
ঠাসবুনোটের দেশে ঘোড়ারুগী
আলগাচরিত এক ফেঁসো
।।.....................।।
সর্বনাম ব্যবহারে উদ্দেশ আসে, উদ্দিষ্টের সাথে কথা । বারতা । আর ডায়ালগ কবিতার পরিপন্থী – এই ধরণের কথা হয়, হয়েছিল একদা আশিতে । বারোটা বাজে আর আমি তুই বলি, তুমি বলি, ব্যবহার করব না করব না করেও আপনিতে পৌঁছে একটু হাঁপিয়ে জল খাই, ইতস্তত করি, প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাল্কা চুলকে নিই ক্রিয়াপদে ঘুঙ্গুর বাজে । বন্ধুরা অনেকে সোজা কবিতা লেখার কথা বলেছিল – সৌমেন, রেণুপদ – আমি কঠিন কবিতা কাকে বলে বুঝি না ওরা সেটা সোজা করে বোঝাতে পারেনি—বেশি নয়, ৩-৪ বছরে টোটাল ঘন্টা দশেক এইসব নিয়ে কথা হয়েছে , এরি মাঝে সিমলিপালে বরফ পড়লো, জাপানে ভূমিকম্প আর নবাবগঞ্জে সেলিম আলির মূর্তি হল – পাখিরা মূর্তি নিয়ে যে কোন বাছবিচার করবে না সেটা জানলেও আশা ছিল, হাজার হোক পক্ষীবিদ তো —
পাখি বলতেই মনে পড়ল—ভাবপ্রবণতা, রবিন রঙের অস্বীকার
অ্যান্ড ডিনায়াল লিডস টু ডিপ্রেশান
অবসাদ
অবসাদ একটি জাঢ্য
অবস্থা
আর গতিহীন কোন কিছুই
প্রতারিত হতে জানে না
এমন কী তা স্বাস্থ্যকর হলেও
হাল্কা হেমন্ত নামে
শীতলতাকে চামড়া পরাতে পরাতে
ভাবি
বাতাসে যে আবেশ থাকবে এ’কথা কেউ কেন জানায়নি
আবেশ যে বাতাস মাত্র এ যদিও জানা ছিল
হাওয়ার আঙ্গিক নিয়ে মাথাব্যথাই
আমাদের খোঁড়া করে তুলল
তার পর অবয়ব তৈরী হয়
অবসাদের
আর অবসাদ এমন অবস্থাপন্ন
জাঢ্যের কারণে
প্রভাবিত হতে ভুলে যায়
ভয় পেতে ভুলে যায় ।
টনটন ফসলে ঢেকে যায় নৌকো
ডুবে যায় আত্মনিগ্রহে
-----------------
এস হে
--------------------
এস হে
লাবণ্য চেনানো পেরেক
ঘাস ফুলের মত ব্রেক
যে দৃশ্য আমাকে দেখেনি
তার ছায়া ঝুলে আছে
পেড়ে নাও
ছবি করে নাও
ভৌত উটের পাশে
কাঠচাঁপা গাছখানি নিভৃতি পাক
--
এই গান, মহাসিন্ধুর ওপার থেকে, এই সব ইন্দ্রানুগত ভেসে আসে ধরা ও ধরণী, ত্বরা ও তরণী, প্রাক মার্কনী –র্যাঁবো, রবি, বারীন – মাতাল সোনা হাশিস । নেশা যখন ইন্দ্রিয় পেরিয়ে যায় – বরিশাল থেকে আমিনাবাদ অব্দি হলুদ জলে ওঠে প্রবাহ – যে হলুদ নির্বানের নয়, গর্ভাবস্থা নয়, সুবর্ণাভ গতিচিহ্ন নয় – এক ফেলে আসা ডিকশানের ঘোর ও তার ব্রীড়া ... স্পষ্টত ... ট্রামলাইন আমাদের সাবালক হতে দিল না-- সমস্ত এসো হে, সমস্ত চিল বরাবর ।
--
অতিক্রম একটি অভ্যাস মাত্র – এই ভাবে ভাবতে পারলে সোজা হয়ে আসে দিনকাল । না বুঝেই নিজেকে পেরিয়ে গিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায় – কী ভাবে ঈষৎ ঝুঁকে এগিয়ে আসছি, থেমে অগ্রাহ্য করছি, খিস্তি করছি, ভুলে যেতে চাইছি অতিক্রান্ত রাস্তা ... অধিকন্তু ... সময় পেরিয়ে যাচ্ছে ... আর একটি বৈশাখের জন্য দাবদাহের জন্য গলে যাচ্ছে বিচি ... আহবানকারী গান হয়ে উঠছে ... জন্মাতে ভুলে যাচ্ছি, মরতে ভুলে যাচ্ছি ... গাঢ় মৃন্ময় হয়ে যাচ্ছি ... বৃষ্টি ফিরে যাচ্ছে ... না ভিজিয়ে, না ভিজে ।
পারী-জনিত (স্মৃতি) কবিতা
দৃশ্য ভাবায় না
যেখানে ভাব ছিল না
সেখানে দাঁড়ালাম দেখলাম
দৃশ্য একটা স্টীয়ারিং মাত্র
ফলে সব এলোমেলো লাগে
দেখি
বার্তা ঘাড় থেকে ঝেড়ে হেঁটে যাচ্ছে কথা
১০ বছর আগেকার পারীকে
ভাবতে ভাবতে আর্যনীলকে জিগ্যেস করি
নোতরদামের ঝোপের চড়াইগুলো কী এখনো
উড়ছে
মাচো বাস্তুহীন
কী এখনো তাদের খাইয়ে দেয়
আইফেল টাওয়ারের পূবদিকের বাড়িগুলোর
বারান্দায় ঝুলন্ত টব থেকে লতা
আর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়কার
জলীয় ওয়াইনে দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে নেবার অভ্যাস
পারীতে তখন বেশ গরম ছিল
সীজনেও
চলাচল বেশী ছিল
সময় যেভাবে সময়কে অতিক্রম করে
অবস্থান যে ভাবে নিরুপায়
ঘাড় গুঁজে থাকে
সেভাবে কাফে ভরে ছিল ক্যানাপে
মমার্তের ক্যারুসেল বন্ধ ছিল
ক্যামেরুণী ছোকরারা সুতোর তাবিজ বাঁধছিল
ভার্সাইয়ের ট্রেনে কাক ভিড় করেছিল
আমাদের চলাচল পাক্কা ট্যুরিস্টের মত ছিল
নীল মোরামের ওপর ঘুড়ির মুখোশ পড়ে ছিল
ঘুড়ি উড়ছিল
পায়রাদের সাথে পাল্লা দিয়ে
ছোটা ইমামবাড়ার উল্টোদিকের
সূর্যাস্তকে ডিসটর্ট করে
ঘুড়িটি সত্য
আমি সত্যের কাছে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম
উড়ে যাওয়া—শুধু এক জরুরী অবস্থা
সাতাত্তুরে মানুষেরা জানে
ব্যবস্থা ছাড়া কোন অবস্থাই
সত্য নয়
সময়, অবস্থান
ঘুড়ি
কথা
যেখানে ভাব ছিল না
সেখানে দাঁড়ালাম দেখলাম
দৃশ্য একটা স্টীয়ারিং মাত্র
ফলে সব এলোমেলো লাগে
দেখি
বার্তা ঘাড় থেকে ঝেড়ে হেঁটে যাচ্ছে কথা
১০ বছর আগেকার পারীকে
ভাবতে ভাবতে আর্যনীলকে জিগ্যেস করি
নোতরদামের ঝোপের চড়াইগুলো কী এখনো
উড়ছে
মাচো বাস্তুহীন
কী এখনো তাদের খাইয়ে দেয়
আইফেল টাওয়ারের পূবদিকের বাড়িগুলোর
বারান্দায় ঝুলন্ত টব থেকে লতা
আর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়কার
জলীয় ওয়াইনে দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে নেবার অভ্যাস
পারীতে তখন বেশ গরম ছিল
সীজনেও
চলাচল বেশী ছিল
সময় যেভাবে সময়কে অতিক্রম করে
অবস্থান যে ভাবে নিরুপায়
ঘাড় গুঁজে থাকে
সেভাবে কাফে ভরে ছিল ক্যানাপে
মমার্তের ক্যারুসেল বন্ধ ছিল
ক্যামেরুণী ছোকরারা সুতোর তাবিজ বাঁধছিল
ভার্সাইয়ের ট্রেনে কাক ভিড় করেছিল
আমাদের চলাচল পাক্কা ট্যুরিস্টের মত ছিল
নীল মোরামের ওপর ঘুড়ির মুখোশ পড়ে ছিল
ঘুড়ি উড়ছিল
পায়রাদের সাথে পাল্লা দিয়ে
ছোটা ইমামবাড়ার উল্টোদিকের
সূর্যাস্তকে ডিসটর্ট করে
ঘুড়িটি সত্য
আমি সত্যের কাছে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম
উড়ে যাওয়া—শুধু এক জরুরী অবস্থা
সাতাত্তুরে মানুষেরা জানে
ব্যবস্থা ছাড়া কোন অবস্থাই
সত্য নয়
সময়, অবস্থান
ঘুড়ি
কথা
Friday, September 30, 2011
স্বগতোক্তি
An organism thrives on communication—with its surroundings, within its ownself. When you look at a cell monolayer—you find that individual cells are separated by an extracellular matrix— the matrix is shared by surrounding cells. Like cells themselves, the matrix (though technically not alive) also communicates, chemically, physically with the cells. A community-based organism—like human has an extensive external network of shared feelings, emotions (shared consciousness?)—a nurturing ground for celebrations, hysteria and culture and most people spend majority of their time in this shared network.
And then there is a rarely ventured wee bit that resides within you interacts with the outer, experiences all that’s to be experienced and yet it always comes back to its den and thinks, alone. I believe, a song, an art that essentially has what it takes to be popular usually touches you through the shared network, the matrix. It hits a string, the string vibrates, and you exult—sometimes, even before the vibration reaches your core.
I know, I am not good enough—but if I were given the ability for a moment—I would want to touch you in there, directly, in your introspection, in your solitude—a solitude that is never conductive to celebration.
Yeah, I know, I know the heavy atmo above doesn’t go well with panu, literally. I never intended it either, but prolonged oxygen deprivation can do that to you (did you know, it can kill you too ! I mean real effing dead).
So let’s venture into the lighter side of the poop. Elders say, it takes some courage to laugh at yourself. I figured, it takes some more to turn yourself into a laughing stock. So, I took the plunge (with some Dutch helpings) and wrote some lyrics, composed me some songs and started shouting from the rooftop. But then, too much of anything hurts, even laugh. OK, OK I admit that "composing" had its perks, a bit of euphoria while recording it, probably a bit of endorphins due to the good honest labor, especially when you’ve had a coupla drinks. But when I listened to them in sobriety, man O man, these compositions are bloody rotten, so rotten in fact that they actually abuse your senses.
সো, পানু ইস অল ডান অ্যান্ড ডাস্টেড, নো মোর পানুসঙ্গীত, নো মোর অফ দিস ওয়ার্থলেস ক্র্যাপ । পানু বউকে বলেছে, পুজোয় এবার যদি একটা ম্যান্ডোলিন কিনে দেয় ! তা লখণৌএর দোকান পত্র ম্যান্ডোলিন কী বস্তু তাই নিয়ে ধাঁধায় । অতএব পানু অন্য কিছুর সন্ধানে – হয়তো চড়ক মেলায় ঘোরা । হয়তো মাছের ডাক শেখা (ডলফিন নয়, রিয়েল ফিশ) ।
And then there is a rarely ventured wee bit that resides within you interacts with the outer, experiences all that’s to be experienced and yet it always comes back to its den and thinks, alone. I believe, a song, an art that essentially has what it takes to be popular usually touches you through the shared network, the matrix. It hits a string, the string vibrates, and you exult—sometimes, even before the vibration reaches your core.
I know, I am not good enough—but if I were given the ability for a moment—I would want to touch you in there, directly, in your introspection, in your solitude—a solitude that is never conductive to celebration.
Yeah, I know, I know the heavy atmo above doesn’t go well with panu, literally. I never intended it either, but prolonged oxygen deprivation can do that to you (did you know, it can kill you too ! I mean real effing dead).
So let’s venture into the lighter side of the poop. Elders say, it takes some courage to laugh at yourself. I figured, it takes some more to turn yourself into a laughing stock. So, I took the plunge (with some Dutch helpings) and wrote some lyrics, composed me some songs and started shouting from the rooftop. But then, too much of anything hurts, even laugh. OK, OK I admit that "composing" had its perks, a bit of euphoria while recording it, probably a bit of endorphins due to the good honest labor, especially when you’ve had a coupla drinks. But when I listened to them in sobriety, man O man, these compositions are bloody rotten, so rotten in fact that they actually abuse your senses.
সো, পানু ইস অল ডান অ্যান্ড ডাস্টেড, নো মোর পানুসঙ্গীত, নো মোর অফ দিস ওয়ার্থলেস ক্র্যাপ । পানু বউকে বলেছে, পুজোয় এবার যদি একটা ম্যান্ডোলিন কিনে দেয় ! তা লখণৌএর দোকান পত্র ম্যান্ডোলিন কী বস্তু তাই নিয়ে ধাঁধায় । অতএব পানু অন্য কিছুর সন্ধানে – হয়তো চড়ক মেলায় ঘোরা । হয়তো মাছের ডাক শেখা (ডলফিন নয়, রিয়েল ফিশ) ।
Thursday, September 29, 2011
হরিণ
টুপটাপ টুপটাপ বাথটব গায়
বাথরুম ঘুরে বসে চাঁদের দিশায়
টুপটাপ টুপটাপ তারারা ফোটে
রাতপাখি গান গায় পোকা নিয়ে ঠোঁটে
আড় ভাঙ্গে বেহালায় ঘুলঘুলি জাগে
দলছুট হরিণের চোখে স্মৃতি লাগে
মাংসাশী সেই হরিণ, তোমাকেই খুঁজছে
মজ্জায় ঘাঁটি গেড়ে, তোমাকেই বুঝছে
সমুদ্র থেকে ফিরে, শিং-জোড়া জ্বলছে
মাংসাশী সেই হরিণ, ঘিলু ফাঁক করে চাটছে
হরিণের ছিল পাড়া, হরিণের আখড়া
ক্লান্তি আঁকড়ে ধরলে, কুয়াশায় ঘুম মারা
দালানে বাগানে ছিল, লবনের ঠিকানা
চাঁদমারি আজ সবটাই, পশ্চিমী নিশানা
মাংসাশী সেই হরিণ, তোমার কথাই ভাবছে
জ্যামিতি-প্রবণ দ্বীপে, ক্ষুরে সে ত্রিকোণ ভাঙ্গছে
বোকাবোকা তার দাঁতে পাগলাটে লালা লাগছে
মাংসাশী সেই হরিণ, তোমাকেই খুঁজছে
হরিণের ছিল ঘাঁটি, প্রোটোকলহীন মাটি
ভাষাভাবনার মাঠে, পোঁতা ছিল না খুঁটি
বেড়ারা পোষ্য হলে, ভেড়াদের দঙ্গলে
দলগত সব হরিণ, জিরোয় আস্তাবলে
চামড়ার জ্বালা সত্ত্বেও অ্যাসিডে ভিজছে
মাংসাশী সেই হরিণ, তোমাকেই খুঁজছে
নিজের অন্ত্র দিয়েই, শিঙে জ্যা-রোপণ করছে
আয়নায় ঘাঁটি গেড়ে তোমাকেই দেখছে
Subscribe to:
Posts (Atom)