কেন এই পাতা

পানুর ইচ্ছা, লেখক হইবেন । বাঙালি, লেখক না হইতে পারিলে নমো নমো করিয়া পাতের সংস্থান যদি বা হয় জাত রক্ষা হয় না - যথা আঁটকুড়া কুলীন । পানু বিস্তর পরিশ্রম করিলেন । দিস্তা দিস্তা রচনাবলী, অমনিবাস চিবাইলেন । প্রথমে কাব্য টানিয়াছিল, কারণ রস - রসে পাঁউরুটি ভিজিল না । পানু ঘটা করিয়া কিছুদিন রবীন্দ্রসঙ্গীত লিখিলেন (ভেঙ্গেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতিরম্যায়, আট হাজার বাষট্টি টাকার দরজা, খর্চা কে দ্যায় ! অথবা, কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া, চৌমাথার মোড়ে দিব পেন্টুল খুলিয়া) হাউ হাউ করিয়া লোকে মারিতে আসিল । সমস্ত অবজ্ঞা করিয়া পানু লিখিয়া চলিলেন । যদ্যপি পানুর কলমের তোড়ে কাব্যলক্ষী কোঁ কোঁ, সম্পাদকের দপ্তরে চিঁড়া ভিজিল না । অতঃপর পানুর দুঃখে ব্যাবেজ সায়েব কম্পিউটার আবিষ্কার করিলেন । বাজারে ব্লগ আসিল । পানু ব্লগার হইলেন । এই পাতা পানুর পাতা । যা তা ।

Showing posts with label Original Lyric. Show all posts
Showing posts with label Original Lyric. Show all posts

Thursday, September 22, 2011

ছায়া (লিরিক)



বসে আছি, আছে আমাদের নীরবতা রাখা
ছায়াগুলো, সেরে ফেলছে জরুরী যত কথা
আমাদের আছে বালুঘড়ি, আর ঘড়ি নিয়ে লোফালুফি খেলা
বেলা পড়ে অন্য কোথাও । এখানে সবটাই অবেলা

ঘড়ির ভেতর চাঁদ ওঠে, উনুনে উথলে ওঠে দুধ
চাঁদের ছায়ার সাথে তুঁতবনে, ভালো না থাকাই মানে সুখ
কাকে ছোঁব
তোমায়, না তোমার ছায়ার চিবুক ?

বসে আছি, আছে আমাদের নীরবতা রাখা
ছায়াগুলো , সেরে ফেলছে জরুরী যত কথা
শব্দের ছায়া পড়ে দৃশ্যের গায়ে, দৃশ্য ঘুমিয়ে পড়ে একা
রং জমে অন্য কোথাও । এখানে ক্যানভাস ফাঁকা

চোখের ভেতর গান ভাসে, মনে না পড়ার মত মুখ
মুখের ছায়ায় আমলকি বনে, কারো মনে না থাকাই সুখ
কে ভাসে জলে
আমিই, না আমার ছায়ার চিবুক ?

বসে আছি, আছে আমাদের নীরবতা রাখা
ছায়াগুলো হারিয়ে ফেলছে সব কথকতা

(কৃতজ্ঞতা ; হাওয়া মোরগের মন-- আর্যনীল মুখোপাধ্যায়)

(গানগুলো রেকর্ড করা সুর দিতে দিতে । জিন্দেগীতে গান শিখিনি । তালফাল জানি না তায় রাসভকন্ঠী -- সুর কম অসুর বেশী -- When I listen to them myself, I feel quite apologetic for posting them in public -- তবু, পোস্ট করা জাস্ট লিরিক গুলোর জন্য । এগুলোর just নাম "পানু সঙ্গীত" হতে পারে -- বাই কুমার পানু :-)

মহড়া (লিরিক)



শান দিই আলসেমিতে প্রগলভ বারে
স্পৃহা আমার রাত্রি চালায় দুলন্ত শহরে
চোখ রাখা চোখদানিতে, ঘাম ধরে হিমে
স্পৃহার আমার দারুণ মাসল, ডেলি যায় জিমে

সুন্দর হেঁটে বেড়ায় রাস্তায়, মাঠে,
আমাদের বয়স বাড়ে দিনের ওপিঠে

হাওয়া চলে পাঁউরুটিতে, হাওয়া ঘোরে জ্যামে
দখিনের দরজা খোলা ছিল সাবধানে
মোমবাতি, শীতলপাটি, অ্যালবাম, হীরে
সংজ্ঞা ও ব্যবধান ফিরিয়ে গেছে চোরে

যতি ধরে গতির গায়ে, পাগলাটে মতি
ছুটিরও তো পাওনা থাকে কর্মবিরতি

শান দিই ভদ্রতাতে, ভোঁতা হয় মানে
স্পৃহা আমার স্যুটেড বুটেড—পাতার চুট্টা টানে
ছাউনিতে হামলে পড়ে কুকারের সিটী
ন্যাপকিন কোলে স্পৃহা খায় গুড়-রুটি

হাওয়া জমে যন্ত্রণাতে, ফিকে হয় ওড়া
রাত হাঁটে কাঁধে নিয়ে দিনের মহড়া